কুরিগ্রাম সদরে অবস্থিত জনপ্রিয় রেস্তরা গুলোর মধ্যে রূপসী বাংলা রেস্টুরেন্ট অন্যতম। রুপসী বাংলা মূলত কুড়িগ্রামের একটি মানসম্মত একটি রেস্টুরেন্ট এবং বেকারী শপ।
রুপসী বাংলায় মেনু হল স্বাদের একটি সিম্ফনি, বাংলাদেশী রন্ধনশৈলীর সমৃদ্ধি প্রদর্শন করে। নারকেলের দুধে সেদ্ধ করা মজাদার মাছের কারি থেকে মশলায় ভরা মুখগন্ধা বিরিয়ানি, প্রতিটি ডিশ প্রজন্মের পুরনো রেসিপি এবং তাজা উপাদানের প্রতি আবেগের গল্প বলে ।
এটার মূলত তিনটি সেকশন রয়েছেঃ
1: বেকারী সেকশনঃ
যেখানে মিস্টান্ন জাতীয় সবকিছুই পাওয়া যায় যেমনঃ দই/বিভিন্ন ধরণের মিষ্টি। এখানকার মিষ্টি কুড়িগ্রামের অন্যতম সেরা বলতে পারেন।
পাশাপাশি নিজেদের তৈরী বেকারী আইটেম যেমন বিস্কিট, পাউরুটি ইত্যাদি পাওয়া যায়।
এখানে বসে খাওয়ারও ব্যবস্থা আছে। (খোলা পানি দেয়া হয়না, বোতলজাত পানি কিনে খেতে হয়)
2: রেস্টুরেন্ট সেকশনঃ
এখানে সকালের নাস্তা আইটেমঃ পরোটা/ডাল/সবজি/খিচুড়ি থেকে শুরু করে সবই পাওয়া যায়।
এখানকার স্পেশাল জিনিস হচ্ছেঃ চা-২০ টাকা, মোগলাই-৬০ টাকা, সিংগাড়া- ১৫ টাকা। এছাড়াও গ্রীল, নান, ডাল-পুড়ি পাওয়া যায়।
এই সেকশনে ভাত, মাংস, মাছ এসবও পাওয়া যায়। তবে NO BEEF Policy Applicable.
3: মুসলিম কর্ণারঃ
এখানে বীফ আইটেম সবই থাকে। মূলত আলাদা একটা স্পেস তৈরী করে দেয়া হয়েছে। আইটেম বলতে পারেন একই তবে মুসলিম ফোকাসড সব কিছু।
সেই সাথে মিষ্টি, স্বন্দেশ, রসগোল্লা এবং অন্যান্য মিষ্টান্ন পাওয়া যায় এখানে।
বর্তমান অবস্থা
জুলাই ছাত্র আন্দলন এর সময় রুপশী বাংলা রেস্তোরা তে ভাংচুর করা হয়। ধারনা করা হয় রুপশী বাংলা এর মালিক আওয়ামি-লীগ এর নেতা।
এর পরে ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই রুপশী বাংলা আবার নতুন রুপে চালু হয়। এখন রুপশী বাংলা চলছে তার সেই পুরাতন আঙ্গিকে।
রুপশী বাংলা এখনো তাদের মানসম্মত ট্যাগ নিয়ে কুড়িগ্রামের মানুষদের সার্ভ করে যাচ্ছে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
রুপসী বাংলা রেস্তোরাঁ সম্পর্কে কিছু প্রায়ই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর।
Leave feedback about this